Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

বিএনপির অভিযোগ নাকচ করে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, তাকে চাপে রাখার কৌশল হিসেবে ‘মিথ্যা’ অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ থেকে বিরত থাকতে বিএনপি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ইসি সচিবকে ‘বিতর্কিত’ ও ‘দলবাজ’ আখ্যায়িত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিয়েছে বিএনপি। সেই সঙ্গে এ সচিবকে প্রত্যাহারেরও দাবি করেছে দলটি।


সচিব চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ এবং ঢাকা অফিসার্স ক্লাবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেও অভিযোগ এনেছে বিএনপি।

শনিবার বিকালে ইসির ব্রিফিংয়ে তাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, “সবই প্রপাগান্ডা, মিথ্যাচার। বিতর্কিত ও হেয় করার জন্যে এবং চাপে রাখতে উদ্দেশ্য নিয়েই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিব প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা এবং একটি স্বাধীন সংস্থায় কাজ করেন।

“নির্বাচন কমিশনের সব ধরনের আদেশ-নির্দেশ পালন করে সচিব কাজ করে থাকেন। নির্বাচন কমিশনের কাজের বাইরে কিন্তু নির্বাচন কমিশন সচিবের কোনো সত্তা নেই।”
এর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, গত ২০ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চার তলার পেছনের কনফারেন্স রুমে এক গোপন মিটিং হয়, যেখানে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, “আমি এ ধরনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি বলব, এ ধরনের মিথ্যা প্রপাগান্ডা যেন না ছড়ানো হয়।”

উপস্থিত সাংবাদিকদের সচিব বলেন, “আপনারা জানেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) এখানে থাকেন, আমি এখানে (ইসি ভবন) ৮টা-৯টা পর্যন্ত থাকি। সংবাদ সম্মেলনে যে কথা বলা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা একটা অভিযোগ আনা হয়েছে।”

এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ যেন না করা হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

চট্টগ্রামেও কোনো ধরনের বৈঠক হয়নি জানিয়ে সচিব বলেন, “রোববার কমিশন সভায় বিএনপির নানা ধরনের দাবি-দাওয়া এবং ইসি সচিবের বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।”

মিথ্যা অভিযোগের কারণে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে তিনি বলেন, “আগামীকাল কমিশনে বিষয়টি তোলা হবে। নির্বাচন কমিশন যেটা সিদ্ধান্ত দেয় সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

bottom