Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

চা বাগান অধ্যুষিত এলাকা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। পৌষের মাঝামাঝি থেকেই শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে।


সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই শীত জেঁকে বসতে শুরু করে। রাত যত গভীর হয় শীতের প্রকোপ ততই বাড়তে থাকে।

এ অবস্থায় রাতে গরম কাপড়ের অভাবে শীতে কষ্টে ভুগছেন ছিন্নমূল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। বিশেষ করে রাতের বেলা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুদের।

গত ৩১ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৬৮ সালে শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উপজেলার একদিকে বাইক্কাবিল ও হাইল হাওর; অন্যদিকে চা বাগান ও পাহাড়। ফলে এই অঞ্চল শীতপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

যতই দিন যাচ্ছে শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রার পারদ ততই নিচের দিকে নামছে। ছিন্নমূল মানুষ ও চা শ্রমিকরা তীব্র শীতের কবলে। ফলে হাড় কাঁপানো শীতে জবুথুবু হয়ে পড়েছেন মানুষজন। পৌষের শেষে এসে যেন হামলে পড়েছে শীত। ভোরে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েছেন এ জনপদের মানুষ।

টাকা-পয়সার অভাবে শীতবস্ত্র কিনতে পারছেন না নিম্ন আয়ের অসহায় ছিন্নমূল মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে চা বাগান এলাকার চা শ্রমিকেরা সকালের দিকে গাছের পাতা, লাকড়ি কুড়িয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এদিকে ঋতু পরিবর্তনের এ সময়টাতে শ্রীমঙ্গলে রোগব্যাধির প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জয়নাল আবেদীন টিটু জানান, তীব্র শীতে রোটা ভাইরাসের প্রভাবে শীতকালীন ডায়রিয়ায় ও শ্বাসকষ্টে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। সর্দি-কাশিসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগ বেড়েছে।

সন্ধ্যা নামতেই ঘরে ফিরছেন লোকজন। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতর।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়া সহকারী মো. জাহেদুল ইসলাম মাসুম বলেন, দিন দিন শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে। মাঝারি ধরনের শৈতপ্রবাহ পড়ছে এ অঞ্চলে। আগামী সপ্তাহ থেকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে এবং শৈতপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

bottom