Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

রোনালদোর বাজে ফর্মের দিনে নিজেদের মাটিতে জয় ছিনিয়ে নিল ইয়াং বয়েজ। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম জয়ের স্বাদও পেল তারা। গতকাল যেন ছিল বড় দলগুলির হারের দিন। আরও স্পষ্ট করে বললে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দলগুলির হারের দিন।


রোনালদোর বর্তমান দল যেমন জয় ছিনিয়ে আনতে পারেনি প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে, তেমনই জয় ছিনিয়ে আনতে পারেনি তার সাবেক দুই দলও। প্রতিপক্ষের মাঠে পরাজয়ের মুখ দেখেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, অন্যদিকে নিজেদের মাঠেই বিশাল হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজের পুরোনো দলের হারে রোনালদোর করার কিছু নেই। কিন্তু কাল জুভেন্টাসের হারের বড় কারণ তিনিই। ইয়াং বয়েজের মাঠে ২-১ গোলে হারের পেছনে রোনালদোর মিস গুলিকে দায়ী করা যেতেই পারে।

সুইজারল্যান্ডের কনকনে শীতের মধ্যে পুরো শক্তির দল নিয়েই মাঠে নেমেছিল জুভেন্টাস। প্রতিপক্ষ তুলনায় দুর্বল। কিন্তু জুভেন্টাসের খেলায় সেটির কোনো প্রভাবই ছিল না। প্রথম থেকেই ম্যাচের আলো কেড়ে নিয়েছেন গোলরক্ষক মার্কো ওলফ্লি। ম্যাচের ১১ মিনিটেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতেন রোনালদো। তাঁর প্রথম শট থামিয়ে দেন ওলফ্লি। ফিরতি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারলেও ডিফেন্ডারকে পরাজিত করতে পারেননি পর্তুগিজ তারকা। গোলরক্ষককে সম্পূর্ণ একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি। একবার নয়, বারবার। প্রথম অর্ধেই চারটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন।দ্বিতীয়ার্ধেও সুযোগ নষ্ট করার মহড়া চলতে থাকে। ডগলাস কস্তার বানিয়ে দেওয়া বলে পা লাগালেই যেখানে গোল পেয়ে যান রোনালদো, সেখানে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ তিনি। রোনালদোর সঙ্গে আসলে ভাগ্যও কাল প্রতারণা করেছে। একদিকে যেমন গোল মিসের মহড়া দিয়েছেন, তেমনি দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছেন। তবে দিবালার গোলটি কিন্তু তাঁরই বানিয়ে দেওয়া। সেটি ছিল জুভেন্টাসের ৫ হাজারতম গোল। ৮৬ মিনিটে রোনালদোর হেড ফিরেছে গোলবারে লেগে। তবে শেষ মুহূর্তে যা করেছেন তার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা হয় না। ৯২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে গোল করেন দিবালা। কিন্তু সেই বল জালে জড়ানোর আগে রোনালদোর মাথা ছুঁয়ে যায়। কিন্তু সেসময় রোনালদো ছিলেন অফসাইডে। যে কারণে গোল বাতিল করেন লাইন্সম্যান। বারবার আপিল করেও লাভ হয়নি, কারণ চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো ‘ভিএআর’ প্রযুক্তি যুক্ত হয়নি। পর্তুগালের জার্সি গায়েও রোনালদোর এমনই একটি অভিজ্ঞতা আছে।
রোনালদোর বাজে ফর্মের দিনে কেউই নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ডগলাস কস্তা, মারিও মানজুকিচদের শট দৃঢ় হাতে প্রতিহত করেছেন ওলফ্লি। দিবালা নামার পর যেন হালে পানি পায় জুভেন্টাস। ৮০ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট জালে জড়াতে সক্ষম হন দিবালা। কিন্তু তাতে শেষরক্ষা হয়নি। গুইলেইমে হোয়ারাউইয়ের দুই গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে নাম লেখা হয়ে যায় ইয়াং বয়েজের। চ্যাম্পিয়নস লিগে অন্তত এক ম্যাচ জেতা দলের তালিকায় যুক্ত হল তাদের নাম। এই হারে অবশ্য তেমন কোনো সমস্যা হয়নি জুভেন্টাসের। গ্রুপ ‘এইচ’-এর আরেক দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হারের কারনে গ্রুপের শীর্ষে থেকেই পরের পর্ব নিশ্চিত করেছে জুভেন্টাস।

bottom