Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার জেরে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে অপসারণের আহ্বানকে ‘রেড লাইন’ বলে বর্ণনা করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল আল-জুবেইর। বিবিসির কাছে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে ঢোকার পর খাসোগিকে হত্যা করা হয়। এই খুনের নির্দেশ যুবরাজ সালমান দিয়েছেন বলে কথিত রয়েছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএও একই কথা বলেছে।


খাসোগি হত্যায় যুবরাজ সালমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করে আসছে সৌদি আরব। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল আল-জুবেইর বিবিসির কাছে একই দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হত্যায় যুবরাজ জড়িত নন।

বিবিসি অনলাইনের সঙ্গে আলাপে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবে আমাদের নেতৃত্ব হলো একটি শেষ সীমা (রেড লাইন)। দুটি পবিত্র মসজিদের জিম্মাদার (বাদশা সালমান) ও যুবরাজ (মোহাম্মদ বিন সালমান) হলেন শেষ সীমা (রেড লাইন)। তাঁরা প্রত্যেক সৌদি নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেক সৌদি নাগরিক তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেন। বাদশা বা যুবরাজের প্রতি অপমানজনক কোনো আলোচনাই সৌদি আরব সহ্য করবে না।

আবদেল আল-জুবেইর বলেন, আমরা একদম পরিষ্কারভাবে বলেছি যে এই হত্যায় যুবরাজ জড়িত নন। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত চলছে। দায়ী ব্যক্তিদের আমরা শাস্তি দেব।

খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিপাকে আছে সৌদি আরব। সৌদি বাদশা ও যুবরাজের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। যুবরাজকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে। সৌদি রাজপরিবারের ভেতর থেকেই যুবরাজ বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে খবর বেরিয়েছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের পাশেই আছেন। খাসোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ থাকলেও দেশটির সঙ্গে সুসম্পর্ক চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ট্রাম্প। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সিআইএর সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও তিনি যুবরাজ বা সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবেন না।

ট্রাম্পের এই অবস্থানের বিরোধিতা করেছে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় শিবির।

খাসোগি হত্যায় যুবরাজ সালমানের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে মার্কিন কংগ্রেস।

bottom