Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

রোহিঙ্গাদের বিতাড়নে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমারের বিচার করার পক্ষে মতামত দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ সংস্থা- আইসিসি। বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের হেগে সংস্থাটির তিন বিচারকের প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেয়। এ আদেশের ফলে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক এ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে আইসিসির কৌঁসুলি ফাতোও বেনসুদার মামলা করার পথ সুগম হলো। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে আশ্রয় নেন বাংলাদেশের কক্সবাজারে। নিপীড়িত এই জনগোষ্ঠীর ভাষ্যে উঠে আসে ধর্ষণ, হত্যা, অগ্নিসংযোগের ভয়াবহ চিত্র।


জাতিসংঘ থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা একে জাতিগত নির্মূল অভিযান হিসেবে বর্ণনা করে আসছে। একমাস আগে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তথ্যানুসন্ধ্যান মিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা ও গণধর্ষণের মতো অপরাধ ঘটিয়েছে। এজন্য মিয়ানমারের সেনাপ্রধান ও দেশটির পাঁচজন জেনারেলের বিচারের মুখোমুখি করা উচিৎ।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতাবিরোধী আপরাধ সংঘটনের জন্য মিয়ানমারের বিচারের এখতিয়ার নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক আপরাধ আদালতের রয়েছে বলে সিদ্ধান্ত এসেছে। সংস্থাটির তিনজন বিচারক বিশিষ্ট প্রি-টায়াল কোর্ট এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

মিয়ানমারে নিধনযজ্ঞ চালিয়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধ্য করার বিষয়ে আইসিসি বিচার করতে পারে কিনা, তা জানতে চেয়ে আইনজীবী ফাতো বেনসুদার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই মতামত দিয়েছে আইসিসি। এর ফলে এই ইস্যুতে মামলা করার জন্য তদন্ত করার রাস্তা খুলে গেল বেনসুদার জন্য।

মিয়ানমার আইসিসির সদস্য না হলেও এই বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানাতে ২৭ জুলাই পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছিল। মিয়ানমার এর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব না দিলেও তাদের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, বেনসুদার আবেদন সারবত্তাহীন এবং তা খারিজ করে দেওয়া উচিত।

তিন বিচারক প্যানেলের লিখিত আদেশে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের মধ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের যে অভিযোগ উঠেছে, তার বিচারের এখতিয়ার এই আদালতের রয়েছে, কেননা এ ঘটনায় সংঘটিত অপরাধ সীমান্ত পেরিয়ে সদস্য দেশ বাংলাদেশে বিস্তৃত হয়েছে।

আইসিসির সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিয়ানমারের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

bottom