Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন, ‘পৃথিবীতে রাজনীতি থাকবেই। নইলে ওই অপদার্থ অসৎ লোভী দুষ্ট লোকগুলো কী করবে?’ শুধু হুমায়ূন আজাদ নন, রাজনীতি নিয়ে অনেকেই অনেক কটূ কথা বলেন। এই সুযোগ করে দিয়েছেন স্বয়ং রাজনীতিবিদরা। আমাদের দেশে এমন অনেক রাজনীতিবিদ আছেন, যাদের কথা, কাজ, আচরণ, চিন্তা-ভাবনা রাজনীতির প্রতি মানুষের নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। সুবিধাবাদিতা, সময় ও সুযোগ বুঝে নিজেকে বদলে ফেলার চাতুর্য, লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠতে না পারা, বড় বড় বুলি আওড়ানো-এসব দেখে-শুনে সাধারণ মানুষ বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হন। আর এ ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে রয়েছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।


দেশের রাজনীতিতে বহু অঘটনের নায়ক, দলবদলের মাস্টার, সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কখনো নন্দিত, কখনো নিন্দিত। মঞ্চের আড়ালে তিনি সীমাহীন রহস্যময়। বাংলাদেশের রাজনীতির এক অন্যতম কৌতূহলোদ্দীপক চরিত্র। বাংলাদেশের সমসাময়িক ইতিহাসজুড়ে তার উপস্থিতি ব্যাপক। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তিন সরকারের আমলেই ছিলেন ক্ষমতার নিউক্লিয়াসে।

ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দিয়ে পুলিশি নির্যাতনের পর ঠাঁই হয়েছিল কারাগারে। এই ঘটনা মনের অজান্তেই তাকে করে তোলে রাজনীতি সচেতন। ঢাকা কলেজ ছাত্রসংসদের আপ্যায়ন সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় অ্যাডভোকেট ফরমান উল্লাহ খান প্রতিষ্ঠিত খেলাফত রব্বানীর ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তির নেতা ছিলেন। পেশাজীবী হিসেবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর আইনজীবী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে নানা ভূমিকায় নিজেকে রেখেছিলেন রাজনীতির কক্ষপথেই। বিএনপি আর জাতীয় পার্টি গঠনে পালন করেছেন মুখ্য ভূমিকা। কারাভোগ করেছেন পাকিস্তান আমল, বঙ্গবন্ধু, এরশাদ, ওয়ান ইলেভেন ও মহাজোট সরকারের আমলে।

কৃতি শিক্ষাজীবনের অধিকারী ব্যারিস্টার মওদুদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান পাস করে বৃটেনের লন্ডনের লিঙ্কন্স্ ইন থেকে অর্জন করেন বার-অ্যাট-ল। দেশে ফিরে হাইকোর্টে ওকালতির একপর্যায়ে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শামিল হয়েছিলেন আইনি লড়াইয়ে। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আইনি লড়াই করতে খ্যাতনামা বৃটিশ আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়ামস কিউসিকে বাংলাদেশে আনতে রেখেছিলেন ভূমিকা। ১৯৭১-এ ইয়াহিয়া খান আহূত গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠকের ভূমিকা ছাড়াও ব্যারিস্টার মওদুদকে পোস্টমাস্টার জেনারেল নিয়োগ করে মুজিবনগর সরকার।

স্বাধীন বাংলাদেশের শুরুর দিকে কারাভোগ করতে হয়েছে তাকে।

নানা ঘটনাপরম্পরার মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন জিয়াউর রহমান। তার ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭৭ সালে মওদুদ আহমদ দায়িত্ব পান উপদেষ্টার। বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে আহ্বায়ক করে গঠিত জাগদলের ১৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। পরে জিয়াউর রহমানকে আহ্বায়ক করে বিএনপি গঠিত হলে সে কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন মওদুদ আহমদ। ১৯৭৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমান সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। কর্মসূচির বিরোধিতা করাসহ নানা কারণে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন জিয়া। কয়েকজন বিদ্রোহী সেনাসদস্যদের হাতে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার এক বছরের মধ্যেই রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন এরশাদ। অন্যদিকে দলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৮৫ সালের ২৫ জুন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন মওদুদ আহমদ।

এরশাদ আমলের প্রথম দিকে তিনি ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই এরশাদ সরকারে যোগ দিয়ে মন্ত্রিত্ব পান। সেই সঙ্গে জাতীয় পার্টি গঠনে পালন করেন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ভূমিকা। ১৯৮৫ সালে তিনি যোগাযোগমন্ত্রী, ৮৬ সালে উপপ্রধানমন্ত্রী, ৮৮ সালে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার দায়িত্ব পালন করেন। ৮৯ সালে তিনি উপরাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পান। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকার জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দিলে কিছু সময়ের জন্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বও পালন করেন এবং পরবর্তী অস্থায়ী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১-এ এমপি নির্বাচিত হন এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। ২০০১ সালে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এমপি নির্বাচিত ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ৮ম জাতীয় নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলে পরে বগুড়ায় খালেদা জিয়ার ছেড়ে দেয়া আসন থেকে উপনির্বাচনে বিজয়ী হন।

দীর্ঘ দিন রাজনীতির ময়দানে থাকা মওদুদ আহমদের বিশ্বস্ততা নিয়েও বারবার প্রশ্ন উঠেছে। উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় তাকে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছিল তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আউটার সার্কেল এর মানুষ হিসেবে। তবে নিজস্ব কৌশলে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ উতরে গেছেন মওদুদ আহমদ।

রাজনৈতিক ডিগবাজিতে সীমাহীন সিদ্ধহস্ত ব্যারিস্টার মওদুদ  কিন্তু প্রশংসা অর্জন করেছেন বই লিখে। তিনি রচনা করেছেন এক ডজনের বেশি বই। যার মধ্যে রয়েছে- ডেমোক্রেসি অ্যান্ড দ্য চ্যালেঞ্জ অব ডেভেলপমেন্ট: এ স্টাডি অব পলিটিক্স অ্যান্ড মিলিটারি ইন্টারভেনশনস ইন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ : এরা অব শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ কনস্টিটিউশনাল কোয়েস্ট ফর অটোনমি, বাংলাদেশ: ইমারজেন্সি অ্যান্ড দ্য আফটারম্যাথ, সাউথ এশিয়া: ক্রাইসিস অব ডেভেলপমেন্ট দি কেস অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ: এ স্টাডি অব দ্যা ডেমোক্রেটিক রেজিম বাংলাদেশের গণতন্ত্র ১৯৯১ থেকে ২০০৬, চলমান ইতিহাস, বাংলাদেশ স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধীনতা, কারাগারে কেমন ছিলাম ২০০৭-২০০৮, সংসদে যা বলেছি, ও ইন লাভিং মেমোরি অব আমান মওদুদ, হিজ লাইফ অ্যান্ড আর্ট।

বাংলাদেশের রাজনীতি ও নেপথ্য ঘটনাপরম্পরা বিশ্লেষণে তার প্রতিটি বইই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনীতিক ও লেখক সত্তার বাইরে তিনি একজন শিক্ষকও। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কুইন এলিজাবেথ হাউস, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফায়ার্স, ফেয়ারব্যাংক এশিয়া সেন্টার এবং হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান ইনস্টিটিউটের ফেলো। তিনি জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এলিয়ট স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফায়ার্সের ভিজিটিং প্রফেসর।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে লন্ডনে অবস্থানরত ব্যারিস্টার মওদুদকে পোস্টমাস্টার জেনারেল নিয়োগ করে মুজিবনগর সরকার।  মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত ডাকটিকিট প্রকাশ ও শুভেচ্ছামূল্য বাবদ অর্থ সংগ্রহের দায়িত্ব্ব নেন তিনি।  মুক্তিযুদ্ধের ডাকটিকিট বিক্রি থেকে সংগ্রহ করা অর্থের মোটা অঙ্ক আত্মসাৎ করার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময় ব্যারিস্টার মওদুদের বিরুদ্ধে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার চর অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের একান্ত আবেদনে বঙ্গবন্ধু তাকে মুক্তি দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, মওদুদ পল্লীকবির জামাতা।  তবে মওদুদের কাছ থেকে এই মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয় যে, তিনি জীবনে কোনোদিন রাজনীতি করবেন না।  কিন্তু সে অঙ্গীকারনামা মওদুদনামায় পরিণত হয়।  পরবর্তী জীবনে তিনি কখনো কোনো অঙ্গীকার পালনের ধার ধারেননি।  জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর ব্যারিস্টার মওদুদকে তার মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে নিয়েছিলেন।  ইস্ট-ওয়েস্ট ইন্টারকালেক্টর প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে পরে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে  অব্যাহতি দিয়েছিলেন।  মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পর জিয়াউর রহমানের ক্ষমতার শেষভাগে মওদুদ ছিলেন সে-সময়কার বিএনপির বিদ্রোহী শিবিরে।  ১৯৮২ সালে এরশাদের সামরিক শাসনামলে গুলশানের বাড়ি সংক্রান্ত মামলায় মওদুদের বাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়।  তিনি ১২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।  অবশ্য এ-মামলার পরই ১৯৮৩ সালে এরশাদের সামরিক সরকারেরই মন্ত্রী হয়েছিলেন মওদুদ।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন মওদুদ আহমদ। বিএনপি সরকারের সময় ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমানের কর্মসূচির বিরোধিতা করায় তাকে উপপ্রধানমন্ত্রী থেকে বরখাস্ত করা হয়। বেগম জিয়ার সঙ্গে ১৯৮৫ সালে কুমিল্লা সফর থেকে ফেরার সময় গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হন। ঢাকায় এসে তিনি বলেন, এটা দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত ঘটনা। আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ও স্বৈরাচার এরশাদ। হাসপাতালেও ভর্তি হন মওদুদ। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনদিন পরই সেখান থেকে সরাসরি বঙ্গভবনে গিয়ে এরশাদ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কেএম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার ইস্যুতে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। বিচারপতিদের চাকরির বয়স বাড়িয়ে হাসানকে প্রধান উপদেষ্টা করার আইডিয়া আসে মওদুদের মাথা থেকেই। এর মাধ্যমে তিনি আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের পথে ঠেলে দেন। ক্যান্টনমেন্ট থেকে খালেদা জিয়াকে উচ্ছেদের মামলা চলাকালেও বিতর্কিত হন মওদুদ। চেয়ারপারসনের সেই দুঃসময়ে তিনি ছিলেন বিদেশে।

দলবদলে সিদ্ধহস্ত এ-নেতা এরশাদ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও উপ-রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।  এরশাদ সরকারের পতনের আগ মুহূর্তেও এরশাদের পক্ষে সংবিধান এবং আইন দেখিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন মওদুদ।  পরবর্তী সময়ে বিএনপিতে যোগ দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ১৯৯১ সালে বিএনপির মন্ত্রিসভায় যোগ দেন।  সর্বশেষ ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির টিকিটে এমপি হয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন।  দেখা যাচ্ছে যে মুজিব-জিয়া-এরশাদ-খালেদা সরকারের খেদমত করেছেন দলবদলের রাজনীতির ঝানু খেলোয়াড় মওদুদ।

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে বিচার বিভাগকে তছনছ করেছেন ব্যারিস্টার মওদুদ।  আইনের মারপ্যাঁচে তিনি বিভিন্নভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন।  বিচারকদের বয়স বাড়িয়ে নিজের দলের লোককে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করতে তিনি একটি আইন পাস করেন।  তার বুদ্ধিতেই জোট সরকার বিচারপতি এম এ আজিজকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে।  তিনিই অযোগ্য লোকদের বিচারপতি নিয়োগ করেন।  তবে জাল সনদধারী লোককে বিচারপতি নিয়োগ করে ন্যাক্কারতম ইতিহাসটি সৃষ্টি করেছেন মওদুদ।  তার কারণেই বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়নি বলে দেশের মানুষ মনে করেছেন।

মওদুদ সাহেব জীবনে অনেকবার দুর্নীতির অভিযোগে জেলে গিয়েছেন। কিছুদিন জেলে কাটিয়ে তিনি ঠিকই বীরবিক্রমে বেরিয়ে এসেছেন এবং মন্ত্রী হয়েছেন।  মওদুদ আহমদকে সবাই সমীহ করেন তার বিরল প্রতিভার জন্য।  এক জীবনে এত বেশি দলে এতোবার মন্ত্রী থাকার কৃতিত্ব পৃথিবীতে অন্য কেউ কখনো দেখাতে পেরেছিলেন বলে আমাদের জানা নেই।  সালাম জানাই ব্যারিস্টার মওদুদকে এমন বিরল প্রতিভার জন্য। সালাম জানাই তাদেরও, যারা সব কিছু জেনেশুনে এই মওদুদ আহমদদেরই বার বার দলে টানেন, নেতা এবং মন্ত্রী বানান।  সালাম জানাই তাদের, যারা এই মওদুদদেরই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠান।  ধন্য আমার দেশ, ধন্য দেশের নেতা!

bottom