Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

অবশেষে স্যামসাং দেখাল তাদের ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্যামসাং ডেভেলপার্স কনফারেন্সে (এসডিসি ২০১৮) ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লেযুক্ত নতুন স্মার্টফোনটি প্রদর্শন করেছে স্যামসাং। এ স্মার্টফোন ঘিরে প্রযুক্তি বিশ্বে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল।


গতকাল বুধবার অনুষ্ঠানে স্যামসাংয়ের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে ওয়ান ইউআই নামে নতুন ইন্টারফেস ডিজাইনের ঘোষণাও দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। এতে স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছে তারা। এতে এক হাতে স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে সহজে।

স্যামসাং জানিয়েছে, তাদের প্রথম প্রজন্মের ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোনে ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লে ব্যবহৃত হবে। এ ছাড়া ডেভেলপারদের জন্য বিক্সবি ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট উন্মুক্ত করছে স্যামসাং। এতে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাপলের সিরি, আমাজনের অ্যালেক্সা ও মাইক্রোসফটের করটানার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে ব্রিক্সবি।

স্যামসাং জানিয়েছে, ভাঁজ করা স্মার্টফোনটি ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আবার ভাঁজ করে পকেটেও রাখা যাবে। এর আকার হবে ৭ দশমিক ৩ ইঞ্চি। অবশ্য স্যামসাং যে ডিভাইসটি দেখিয়েছে, সেটি চূড়ান্ত নয়। পরে এটি আরও উন্নত করে বাজারে ছাড়বে প্রতিষ্ঠানটি।

স্যামসাংয়ের মোবাইল প্রোডাক্ট মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ডেনিসন বলেন, চমৎকার একটি ডিভাইস দেখাতে যাচ্ছি, যা ভাঁজ করে রাখা যায়। এতে একটি কভার ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, আবার ৭ দশমিক ৩ ইঞ্চি মাপের ট্যাবলেট ডিসপ্লে হিসেবেও কাজ করবে।

মাল্টি–অ্যাকটিভ উইন্ডো থাকায় এতে এতে তিনটি অ্যাপ একসঙ্গে চলবে। ডেনিসন বলেন, কয়েক মাসের মধ্যেই তারা ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লে ব্যাপক আকারে উৎপাদন শুরু করবে।

নতুন স্মার্টফোন কবে নাগাদ বাজারে আসবে, সে বিষয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলেননি তিনি।

গুগল অবশ্য নতুন ধরনের এ ডিভাইস সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে। তারা নতুন প্রযুক্তির ফোন বাজারে আনতে স্যামসাংয়ের সঙ্গে কাজ করছে।

ভাঁজ করার ফোনের বাজারে আসতে স্যামসাংয়ের পাশাপাশি অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো চেষ্টা চালাচ্ছে। আগামী বছর হুয়াওয়ে ভাঁজ করা ফোন বাজারে আনতে পারে। লেনোভো, শাওমি ও এলজি এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।

bottom