Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

প্রযুক্তির উন্নতি যেমন আধুনিক জীবনযাত্রাকে অনেকটা সহজ করেছে, তেমনই বেড়েছে ঝুঁকিও। কেনাকাটা, টিকিট কাটা, বিল দেওয়া থেকে কাউকে টাকা পাঠানো— কোনোটার জন্যই আর বাড়ির বাইরে বেরোনোর প্রয়োজন পড়ে না।


দরকারি সব কিছুই মোবাইল বা কম্পিউটারের ক্লিকে সেরে ফেলা যায় বলেই হয়তো আমরাও এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে পড়ি। কিন্তু মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে সাইবার ক্রাইম বেড়েই চলছে। তাই থাকতে হবে সাবধান।

আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া থেকে শুরু করে অবৈধভাবে কার্ডের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জালিয়াতি কোনোটাই বাদ পড়ছে না। এর প্রভাবে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

তা বলে কি প্রযুক্তির সাহায্য নেবেন না? তা কেন? বরং কিছু বিষয় মাথায় রাখলেই প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন সহজেই।

আসুনি জেনে নেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া থেকে আটকানোর বেশকিছু সহজ উপায়।

খরচের হিসাব লিখে রাখুন

অনলাইনে কবে কী কিনছেন, কত টাকা খরচ করে তা লিখে রাখুন এক জায়গায়। সম্ভব হলে এক সপ্তাহ অন্তর পাসবই আপডেট করে রাখুন, নয়তো মোবাইল থেকে স্টেটমেন্ট দেখে ডাউনলোড করে রাখুন।

কার্ড ব্যবহার

চেষ্টা করুন কোনও জনবহুল এলাকা বা সাইবার ক্যাফেতে কার্ড ব্যবহার না করতে। তা করলেও আপনার চারপাশে কেউ আপনাকে লক্ষ করছে কি না দেখে নিন।

অনলাইন শপিং

অনলাইন শপিং বা মোবাইলেই বিল পেমেন্ট বেশি করে থাকেন? সবচেয়ে ভয়ানক সাইবার অপরাধের নাম ‘ম্যান ইন দ্য ব্রাউজার অ্যাটাক’। এ ক্ষেত্রে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তারা সব সময়ই মোবাইল বা ল্যাপটপে চলতে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের গতিবিধি নজর করতে পারে।

আপনার ব্যবহৃত তথ্য জাল করাও তাদের কাজে খুব সহজ। তাই অনলাইন শপিং বা লেনদেন বেশি করলে মোবাইল বা কম্পিউটারে অ্যাডভান্সড ইন্টারনেট সিকিউরিটি ডাউনলোড করে নিন।

এসএমএস

অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও লেনদেন হলে তা এসএমএসের মাধ্যমে জানায় সব ব্যাংক। অনেক সময় কাজের চাপে সেসব এসএমএস আমরা খেয়াল করি না। এ ভুল আর নয়, খুঁটিয়ে পড়ুন ব্যাংকের সব এসএমএস। যদি এসব লেনদেন আপনি করেননি এমন হয়, তা হলে দ্রুত যোগাযোগ করুন ব্যাংকের সঙ্গে ও কার্ডটিকে ব্লক করান।

ব্যক্তিগত তথ্য

অনেক সময় ব্যক্তিগত লোন বা ক্রেডিট কার্ডের অফার বোঝাতে নানা ফোন আসে। ব্যাংকের কর্মকর্তার নাম করেই ফোন করা হয়। যদি সেখানে কেউ কোনোভাবে আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য, কার্ডের পিন নম্বর বা সিভিভি কোড জানতে চায়, সেসব কখনও কাউকে দেবেন না। কোনো প্রকার ভয় বা দুশ্চিন্তা থেকেও নয়। ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও গলদ বা সমস্যা হলে সরাসরি ব্যাংকে গিয়ে যোগাযোগ করবেন।

ইমেইল শুধু এসএমএস বা ফোনই নয়, ব্যাংক সব তথ্য আপনার মেল আইডিতেও পাঠিয়ে থাকে। লেনদেনের সব তথ্যও সেখানে থাকে। ব্যাংকের সব মেইল আমরা মন দিয়ে পড়িও না। এ ভুল শুধরে নিন আজই। একেবারে না পড়ে ব্যাংকের কোনও মেইল ডিলিট করবেন না।

নানা সোশ্যাল সাইটে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যফাঁস হতে পারে এমন অনেক লিংক আসে। যে কোনও লিংকে ক্লিক করার আগে সাবধান হোন।

 

bottom