Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী বিএনপির সংগঠনগুলো ঢেলে সাজানো হবে। তবে এবার কাউন্সিলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এসব সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে বিএনপি।


এছাড়া ভোটে অনিয়মের অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে প্রার্থীদের মামলার পাশাপাশি আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েও মাঠে থাকবে।

এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার চিন্তা করছে দলটি। জানুয়ারির শেষদিকে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এ জনসভার তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

দলটির নীতিনির্ধারকদের মতে, বিএনপির সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। বাস্তবতার নিরিখে বিএনপিকে আগামী দিনের পথ চলতে হবে। দল ইতিমধ্যে নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে নেতারা নতুন নির্বাচনের দাবিও জানিয়েছেন। এ দাবি নিয়ে জনগণের কাছে যাবেন। ভোটের অনিয়ম তদন্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও যাবেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের জনপ্রিয় বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। এই দলটিকে নিশ্চিহ্ন করতে সরকার নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের চরমভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবার স্বমহিমায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। তাই সরকার যতই কৌশল গ্রহণ করুক এ দলটিকে ধ্বংস বা নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। বৈঠক করেই দলের পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আমি মনে করি এখন সব প্রার্থীরই তাদের সংসদীয় এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এমন নির্দেশনা আমরা কেন্দ্র থেকেও পেয়েছি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ ভোটে যা হয়েছে দেশের জনগণ তা দেখেছে এবং জানেও।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, বিএনপির সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। বাস্তবতার নিরিখে বিএনপিকে সামনে পথ চলতে হবে। ভোটে কী হয়েছে তা নিয়ে বিশ্লেষণের কিছু নেই। সবারই বিষয়টি জানা। আমরা এ নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। সামনে একমাত্রই লক্ষ্য থাকবে দলকে গোছানো।

২০০৬ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষমতার মুখ দেখেনি বিএনপি।

এর মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে এই দল। তাই ৫ বছর ধরে বিএনপি বিরোধী দলেও নেই। এ অবস্থায় সদ্যসমাপ্ত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়। দলটি ৫টি আসন পেলেও বিজয়ীরা শপথ নেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

bottom