Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং কাপে।


প্রতিযোগিতার নামেই ইঙ্গিতটা দেওয়া আছে, এটা কাদের জন্য। এশিয়ান দলগুলো নিজেদের ভবিষ্যতের খবর জানতে আয়োজন নিয়মিত করে এই ইমার্জিং কাপ। অনূর্ধ্ব–২৩ দলের এ প্রতিযোগিতায় অবশ্য অভিজ্ঞ চারজনেরও সুযোগ মেলে, জাতীয় দলের আশপাশে, এমন খেলোয়াড়দের বাজিয়ে দেখে ক্রিকেট বোর্ড। আজকের সেমিফাইনালে সে বাজিয়ে দেখাটা অন্তত ভালো ফল দিল না বাংলাদেশকে। ইমার্জিং কাপে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ।

গ্রুপ পর্ব পাকিস্তানকে কাটিয়ে সেমিফাইনাল পর্ব খেলতে শ্রীলঙ্কায় গেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক পাকিস্তানকে হারানোর পর সেমিতেও স্বাগতিক দলকে পেয়েছে বাংলাদেশ। মিল রইল আরেকটি বিষয়েও। সেদিনও পাকিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাট করেছিল বাংলাদেশ। তবে তিন শ ছাড়ানো সে ইনিংসের সুবাস আজ টেনে আনা যায়নি। মিজানুর রহমানের ৭২ আর ইয়াসির আলীর ৬৬ রানের সুবাদে ২৩৭ রান তুলেই থেমে গেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতে ফর্মে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন আজ তুলেছেন ৩৯ রান।

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বোলারদের পারফরম্যান্স অবশ্য সাহস জোগাচ্ছিল। সেদিন পাকিস্তানকে সোয়া দুই শর বেশি করতে দেয়নি বাংলাদেশ। মাত্র তৃতীয় বলে হাসিথা বোয়াগোদাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দলের অভিজ্ঞতম সদস্য শফিউল ইসলাম। ইমার্জিং কাপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা এই পেসারের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর পারফরম্যান্সই সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে। দলের অন্য বোলাররা যেখানে রান আটকে রেখে ও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে চাপে রেখেছেন শ্রীলঙ্কাকে, উল্টো দিকে শফিউলের বলে রানবন্যা বইয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারে পাওয়া সে উইকেটের পর আরও ৫ ওভার বল করেছেন শফিউল। ৬ ওভারে ৫০ রান দিয়েছেন সবচেয়ে অভিজ্ঞ বোলার।

এরই সুবাদে ১৫৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর ধীরে সুস্থে এগিয়েও জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। ৮৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর নেমেছিলেন রামিন্দু মেন্ডিস। ৮৮ বলে অপরাজিত ৯১ রান করে দলকে ১০ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান। পঞ্চম উইকেট পড়ার পর ৬৪ রানের জুটিতে তাঁকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ঝড় তোলা আসেলা গুনারত্নে।

bottom