Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের সঙ্গে বৈঠকের পর তুরস্ক সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বুধবার আঙ্কারায় পম্পেওর এ বৈঠক চলার মাঝেই তুরস্কের গণমাধ্যমগুলোতে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাসোগি খুন হওয়ার নতুন অভিযোগ উঠেছে। তাকে হত্যার অডিও রেকর্ডিং শোনারও দাবি করেছে একটি পত্রিকা।


তুরস্কের সরকারপন্থি পত্রিকা ইয়েনি সাফাক কনস্যুলেটের ভেতরে খাসোগিকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে।

সৌদি আরবের নেতাদের সমালোচক সৌদি সাংবাদিককে গত ২ অক্টোবরে শেষবারের মত ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে দেখা ঢুকতে দেখা যায়। এরপর তিনি আর বেরিয়ে আসেননি।

তুর্কি পত্রিকা ইয়েনি সাফাক পত্রিকা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তারা একটি অডিও রেকর্ডিয়ে সৌদি কনসাল কে বলতে শুনেছে, “বাইরে গিয়ে এটা করুন। আপনারা আমাকে বিপদে ফেলে দিচ্ছেন।”

ওদিকে, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্ক কর্তৃপক্ষ খাসোগির অন্তর্ধানের ঘটনায় জড়িত যে ১৫ জনকে চিহ্নিত করেছে তাদের মধ্যে চারজনের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা আছে।

খাসোগি দেশে হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে থেকেই দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে লেখালেখি করতে তিনি।

সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিক খাসোগি নিখোঁজ নিয়ে সৌদি আরবকে কড়া বার্তা শোনালেও এ ঘটনায় আগেভাগেই সৌদি আরবকে দোষারোপ করতে নারাজ। বরং দোষ প্রমাণ না হতেই সৌদি আরবকে দোষী ঠাওরানো হচ্ছে বলে রিয়াদে এপি বার্তা সংস্থায় মন্তব্য করেছেন তিনি।

bottom