Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

নতুন বছরের চলতি মাসেই ‘সুপার ব্লাড মুন’ দেখার সৌভাগ্য হবে পৃথিবীবাসীর।


জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা বলেছেন, জানুয়ারি মাসের ২০ অথবা ২১ তারিখে(টাইমজোনের ওপর নির্ভরশীল) এই মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হবে মহাকাশ প্রেমীরা।

ঐ দিন ঘটবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। অর্থাৎ ’সুপার ব্লাড মুন’ এর আভা ছড়িয়ে পড়বে মহাকাশে।

এর আগে গত বছরের ২৭ জুলাই শেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের প্রতীক্ষিত ’সুপার ব্লাড মুন’ না দেখে থাকলে মহাজাগিত এই ঘটনাকে দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই বছর।

কারণ এর পরে আবার ২০২২ সালের ২৬ জুন দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। কখন, কোথায় সুপার ব্লাড মুন দেখা যাবে?

জোত্যিরবিজ্ঞানীরা জানান, এই মহাজাগতিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করা যাবে আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ আর আফ্রিকা থেকে।

এছাড়াও পূর্ব আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ থেকে এই গ্রহণের শুরুটা দেখা যাবে।

তবে এশিয়া মহাদেশের কোনো দেশ থেকেই এই গ্রহণ দেখা যাবে না বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। ৬২ মিনিট ধরে চলবে গ্রহণ।

পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ৬২ মিনিট ধরে চললেও সম্পূর্ণ গ্রহণটি চলবে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট ধরে।

’সুপার ব্লাড মুন’ কী?

চাঁদ ও সূর্যের সঙ্গে এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে এলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে আটকে গিয়ে আর চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।

চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ থেকে একটি লাল আভা বের হয়। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রতিসৃত আলো চাঁদের অন্ধকার জায়গাতে গিয়ে পড়ার জন্য এই লাল আভা দেখা যাবে।

নীল ও বেগুনি রঙের থেকে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে পড়ে বলেই চাঁদকে লাল দেখতে হবে। এই মহাজাগতিক ঘটনার নাম ’সুপার ব্লাড মুন’।

 

bottom