Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

চার দিন হলো কলকাতায় উদ্বোধন হয়েছে বাংলাদেশের বই নিয়ে একক বইমেলার। মেঘমুক্ত আকাশ থাকায় এবার বইমেলা ইতিমধ্যে জমে উঠেছে। গত বছর বইমেলা শুরু হয়েছিল ১৫ নভেম্বর। কিন্তু শুরুর প্রথম তিন দিন বৈরী আবহাওয়া থাকায় তাতে বিঘ্ন ঘটেছিল।


Hostens.com - A home for your website

গত শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশের এই বইমেলার উদ্বোধন হয় কলকাতার রবীন্দ্র সদনের উল্টোদিকে মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। প্রথম দিন থেকেই এবার বাংলাদেশের বইয়ের স্টলে ভিড় জমে যায় কলকাতার বইপ্রেমীদের। তাঁরা স্টলে স্টলে ঘুরে কিনেছেন বাংলাদেশের বই। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্টলের বিক্রেতারাও বলেছেন, আবহাওয়া ভালো হওয়ায় এবার তাঁরা খুশি। বই যেমন দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি কেনারও আগ্রহ বাড়ছে বইপ্রেমীদের। বিক্রি বেড়েছে। এই চার দিনের মধ্যে শনিবার ভালো বিক্রি হয়েছে।

এক পাঠক বলেছেন, তিনি বাংলাদেশের বই কিনতে এসেছেন। তিনি প্রতিবছরই বাংলাদেশের বইমেলা এলেই ছুটে আসেন স্টলে। কেনেন বাংলাদেশের বই। বলেন, বাংলাদেশের বই এখন মুদ্রণ থেকে বাঁধাই, সবকিছুই উন্নতমানের। দামও এখন আমাদের সাধ্যের মধ্যে। আরেক পাঠক বলেছেন, বাংলা সাহিত্যে বাংলাদেশ এখন দ্রুত এগোচ্ছে। সেখানে এখন সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন কবি ও লেখক। বইয়ের বাজারও বিস্তৃত হচ্ছে। মুদ্রণ আধুনিক হচ্ছে। দামও নাগালের মধ্যে। আরেক বইপ্রেমী বলেছেন, যদি কলকাতায় বাংলাদেশের বইয় কেনার জন্য একটা নির্দিষ্ট জায়গা থাকত, তবে কলকাতার বইপ্রেমীরা বাংলাদেশের বই সম্পর্কে আরও বেশি জানতে পারত। বই কেনারও বেশি সুযোগ পেত।

২ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে কলকাতায় উদ্বোধন হয়েছে ১০ দিনব্যাপী এই বাংলাদেশ বইমেলার। এবারও মেলা বসেছে কলকাতার রবীন্দ্র সদনের কাছে ঐতিহ্যবাহী মোহরকুঞ্জ প্রাঙ্গণে। এই বইমেলা এবার ৮ বছরে পা দিল। চলবে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিবছরই বাংলাদেশে প্রকাশিত বিভিন্ন বই নিয়ে এই বইমেলার আয়োজন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবারও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত । বইমেলায় প্রতিদিন থাকছে আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ইতিমধ্যে এই আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কাউন্সিলর (কনস্যুলার) মনসুর আহমেদ, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ প্রমুখ।

এদিকে আজ সোমবার বিকেলে বইমেলা মঞ্চে আয়োজিত বাংলা শিশু সাহিত্য প্রকাশনা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর পরিচালক আনজীর লিটন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী পার্থ বড়ুয়া। সভাপতিত্ব করেন কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) সানজিদা জেসমিন। আলোচনায় অংশ নেন কবি দীপ মুখোপাধ্যায়, সন্দীপ রায়, মারুফুল ইসলাম, কবি আসলাম সানি প্রমুখ। এই সেমিনার শেষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর শিশুশিল্পীরা অংশ নেয়। শিশু একাডেমীর ২৩ শিশুশিল্পীর একটি দল ঢাকা থেকে কলকাতায় আসে।

এবারের এই বইমেলায় বাংলাদেশের ৬৯টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, সাহিত্য প্রকাশ, মাওলা ব্রাদার্স, প্রথমা প্রকাশন, আগামী প্রকাশনী, অ্যাডর্ন পাবলিকেশন, অন্যপ্রকাশ, শিখা প্রকাশনী, জার্নিম্যান বুকস, আহমেদ পাবলিশিং হাউস, নওরোজ কিতাবিস্তান, রোদেলা প্রকাশনী, ঐতিহ্য, মূর্ধন্য, প্রতিভা প্রকাশ, পার্ল পাবলিকেশনস, কাকলি প্রকাশনী, অনন্যা, দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, দিব্য প্রকাশ, প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা, সময় প্রকাশন, সন্দেশ, বাংলা প্রকাশ, পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস, অঙ্কুর প্রকাশনী, নবযুগ প্রকাশনী, শব্দশৈলী, বেঙ্গল পাবলিকেশনস, অনার্য পাবলিকেশনস, কথাপ্রকাশ, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ, অক্ষর প্রকাশনী, আদর্শ, অনিন্দ্য প্রকাশ, দ্য ইউনিভার্সাল একাডেমি, অনুপম প্রকাশনী, পাঠক সমাবেশ, অন্বেষা প্রকাশন, চন্দ্রাবতী একাডেমি, ভাষাচিত্র,অন্যধারা, অঙ্কুর প্রকাশনী, আফসার ব্রাদার্স, আলেয়া বুক ডিপো, ইতি প্রকাশন, এ এইচ ডেভেলপমেন্ট পাবলিশিং হাউস, চারুলিপি প্রকাশন, জ্ঞানকোষ প্রকাশনী, ঝিনুক প্রকাশনী, তাম্রলিপি, দ্য রয়েল পাবলিশার্স, ধ্রুবপদ, নওরোজ সাহিত্য সম্ভার, নালন্দা, প্রান্ত প্রকাশন, বর্ণায়ন, বাতিঘর, বিদ্যাপ্রকাশ, বিশ্বসাহিত্য ভবন, মেরিট ফেয়ার প্রকাশন, যুক্ত, রিদম প্রকাশনা সংস্থা, র‌্যামন পাবলিশার্স, শিকড়, শোভা প্রকাশ, সৃজনী, সিসটেক পাবলিকেশনস প্রভৃতি।

bottom