Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

বড় অংকের খেলাপি ঋণে আটকে থাকায় আলোচিত রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের দুই পরিচালককে অপসারণ করেছে সরকার। এরা হলেন- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মানিক চন্দ্র দে ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আবদুল হক। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি পওয়ার পর বুধবার জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে তাদের অপসারণের সিদ্ধান্ত হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্বাহী পরিচালক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। সরকার (ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ) এ দুজনকে নিয়োগ দিয়েছিল। সরকারই এ দুইজনকে অপসারণ করার জন্য জনতা ব্যাংককে বলে।


“আইন অনুযায়ী জনতা ব্যাংক এ বিষয়ে অনুমোদন চাওয়ার পর তা অনুমোদন দেওয়া হয়।”

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকেই নিয়োগ পেয়েছিলেন এই দুইজন।

আবদুল হকের মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত। আর মানিক চন্দ্রর মেয়াদ ছিল ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

১৩ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে দুই পরিচালকসহ পাঁচটি পদ শূন্য হলো। এখন মোট পরিচালক আট জন।

অভিযোগ উঠেছে, ভুয়া নথি দিয়ে বিভিন্ন পক্ষের যোগসাজশে ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও এননটেক্স নামের দুই প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়ে এখন বিপাকে আছে জনতা ব্যাংক।

গত জুনে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ বেড়ে হয় ৯ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা,যা বিতরণ করা ঋণের ২২ শতাংশ। এতে জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটির লোকসান ছিল ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। জুন শেষে ব্যাংকটি দুই হাজার ১৯৫ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি পড়েছে।

সম্প্রতি ক্রিসেন্ট গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠানের তিন হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য সেগুলোর বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রির জন্য নিলাম ডেকেছে জনতা ব্যাংক।

এননটেক্সকে দেওয়া সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণের একটি অংশও খেলাপিতে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

দুই পরিচালকের অপসারণের পেছনে ঋণ কেলেঙ্কারির কোনো ভূমিকা আছে কি না জানতে চাইলে সিরাজুল ইসলাম বলেন, “নিয়োগ ও প্রত্যাহার পুরো বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্ত।”

এবিষয়ে কথা বলতে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

bottom