Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

কুবার পেডি অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড থেকে ৮৪৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের মরুভূমিতে অবস্থিত একটি ছোট শহর। কুবার পেডি শব্দ দুটি এসেছে স্থানীয় নাম কুপা পিটি থেকে যার বাংলা অর্থ সাদা মানুষের গর্ত। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ি এই শহরের জনসংখ্যা ১৬৯৫ জন (৯৫৩ জন পুরুষ, ৭৪২ জন নারী এবং অন্যান্য ২৭৪ জন)। এই শহরকে একসময় উপল পাথরের শহর বলা হত। বর্তমানে এই শহরের লোকজন মাটির তলায় বসবাস করে বলে একে ভূগর্ভস্থ নগরীও বলা হয়। রেস্তোরাঁ, বইয়ের দোকান, গির্জা, বিনোদন কেন্দ্র, ক্লাব, ব্যাংক, আর্ট গ্যালারি, মার্কেট কমপ্লেক্স সব কিছুই মাটির নিচে অবস্থিত।


Hostens.com - A home for your website

এটিই পৃথিবীর একমাত্র ভূগর্ভস্থ নগরী। ১৯১৫ সালে কুবার পেডি শহর গড়ে ওঠে ওপাল নামক এক ধরনের রত্ন থাকার কারণে। অনেক ব্যবসায়ী ওপাল পেতে চলে আসেন কুবার পেডিতে। শুরু করেন খোঁড়াখুঁড়ি। আর খোঁড়াখুঁড়ির কারণে মানুষ মাটির নিচে নামতে থাকে। ফলে সৃষ্টি হয় বড় বড় গুহা।
দিনের তাপমাত্রা অত্যধিক হওয়ায় কুবার পেডির লোকজন রাতের বেলা গল্ফ খেলে থাকে। শহরে একটি ফুটবল ক্লাবও আছে।
২০১৩ সালের এক গবেষণায় দেখা যায় কুবার পেডির পাশে আর্কারিনজা বাসিনে প্রচুর তেলের মজুদ আছে। গবেষণায় দেখা যায় এই মজুদ ৩.৫ এবং ২২৩ বিলিয়ন ব্যারেল তেল আছে যা অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বের অন্যতম তেল রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।
শহরের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যর জন্য এটি চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও আকৃষ্ট করেছে। ২০০৬ সালে এই শহরকে নিয়ে তৈরি হয় উপল ড্রিমস নামে একটি চলচ্চিত্র। এছাড়া ১৯৯১ সালের আনটিল দ্য এন্ড অফ দ্য ওর্য়াল্ড, ১৯৯৪ সালের দি অ্যাডভাঞ্চার অফ প্রিসকিল্লা কুইন অফ দ্য ডেজার্ট। ডিসকভারি চ্যানেল এ ২৯ সেপ্টেমবার, ২০১২ সালে এই শহর নিয়ে একটি পর্ব প্রচার করা হয়।
শীতকালে প্রচণ্ড শীত আর গ্রীষ্মকালে রোদ থেকে বাঁচতে মানুষ মাটির নিচে সহনশীল তাপমাত্রায় বসবাস শুরু করে। দিনে দিনে শহরটির বাণিজ্যিক গুরুত্ব বাড়তে থাকায় অত্যাধুনিক শহরের রূপ পায়। মাটির নিচে এ শহরে ঘাস নেই, সবুজ গাছ নেই। আছে শুধু তৈলাক্ত বালু। তারপরও কুবার পেডি এতটাই মনোরম ও জমজমাট যে, অস্ট্রেলিয়ার অনেক ভ্রমণকারী এখানে আসেন নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করতে।

Report by - https://www.poriborton.com/poriborton-feature/1379

Facebook Comments

bottom