Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

শীতকাল সামনেই বলে আমরা অনেকেই ভেবে নেই ইলেকট্রিক বিলের খরচ কমবে অনেকটাই। কিন্তু ভুলে যাবেন না, ফ্যান-এসি না চললেও ঘন ঘন গরম জল ও গিজার ব্যবহার বিলের অঙ্ককে খুব বেশি পরিবর্তন করবে না। তাই বিল বাঁচাতে সারা বছরই রপ্ত করুন বিশেষ কিছু অভ্যাস।



১/ বাল্ব বা টিউব মাঝে মধ্যেই পরিষ্কার করুন। এতে ভিতরের তার ও ফিলামেন্টে ধুলো জমে না, বাড়তি বিদ্যুৎ টানারও প্রয়োজন হয় না।

২/ ফ্রিজ ব্যবহারের সময় তার দরজা বার বার খোলেন বা অনেক ক্ষণ দরজা খুলে রেখে কাজ করেন? এই অভ্যাস বদলান। ফ্রিজ বার বার খুললে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।

৩/ অনেকেই ওয়্যারিংয়ের সময় কমদামী তার ব্যবহার করেন। এমন না করে প্রথম থেকেই ব্যবহার করুন দামি তার। এতে এক বার একটু খরচ হলেও সারা জীবনের খরচের ভার লাঘব হয়। ফ্যান-আলো এ সবও ৫-৬ বছর অন্তর বদলান।

৪/ আজকাল আধুনিক সব ওয়্যারিংয়ের ব্যবহার প্রচলিত। দেওয়ালের প্লাস্টার চটিয়ে তা বদলানো সব সময় যায় না। কিন্তু অনেক পুরনো ওয়্যারিং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচের জন্য দায়ী। তাই দশ বছর অন্তর প্লাস্টার চটিয়ে বদলে ফেলুন ওয়্যারিং। ৫/ ফ্রিজের নিচে বা পিছনে থাকা কন্ডেনসার কয়েলটি মাঝে মধ্যেই পরিষ্কার করুন। এখানে ময়লা জমে থাকলে, বিদ্যতের খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়।

৬/ যে সব ঘরে খুব চড়া আলো লাগে না, সেই সব ঘরের পাওয়ার কমিয়ে ব্যবহার করুন। কম বিদ্যুৎ খরচ হওয়া আধুনিক পদ্ধতির আলো ব্যবহার করুন।

Facebook Comments

More category >> " Tech Science "

Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

শীতকাল সামনেই বলে আমরা অনেকেই ভেবে নেই ইলেকট্রিক বিলের খরচ কমবে অনেকটাই। কিন্তু ভুলে যাবেন না, ফ্যান-এসি না চললেও ঘন ঘন গরম জল ও গিজার ব্যবহার বিলের অঙ্ককে খুব বেশি পরিবর্তন করবে না। তাই বিল বাঁচাতে সারা বছরই রপ্ত করুন বিশেষ কিছু অভ্যাস।


১/ বাল্ব বা টিউব মাঝে মধ্যেই পরিষ্কার করুন। এতে ভিতরের তার ও ফিলামেন্টে ধুলো জমে না, বাড়তি বিদ্যুৎ টানারও প্রয়োজন হয় না।

২/ ফ্রিজ ব্যবহারের সময় তার দরজা বার বার খোলেন বা অনেক ক্ষণ দরজা খুলে রেখে কাজ করেন? এই অভ্যাস বদলান। ফ্রিজ বার বার খুললে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।

৩/ অনেকেই ওয়্যারিংয়ের সময় কমদামী তার ব্যবহার করেন। এমন না করে প্রথম থেকেই ব্যবহার করুন দামি তার। এতে এক বার একটু খরচ হলেও সারা জীবনের খরচের ভার লাঘব হয়। ফ্যান-আলো এ সবও ৫-৬ বছর অন্তর বদলান।

৪/ আজকাল আধুনিক সব ওয়্যারিংয়ের ব্যবহার প্রচলিত। দেওয়ালের প্লাস্টার চটিয়ে তা বদলানো সব সময় যায় না। কিন্তু অনেক পুরনো ওয়্যারিং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচের জন্য দায়ী। তাই দশ বছর অন্তর প্লাস্টার চটিয়ে বদলে ফেলুন ওয়্যারিং। ৫/ ফ্রিজের নিচে বা পিছনে থাকা কন্ডেনসার কয়েলটি মাঝে মধ্যেই পরিষ্কার করুন। এখানে ময়লা জমে থাকলে, বিদ্যতের খরচ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে যায়।

৬/ যে সব ঘরে খুব চড়া আলো লাগে না, সেই সব ঘরের পাওয়ার কমিয়ে ব্যবহার করুন। কম বিদ্যুৎ খরচ হওয়া আধুনিক পদ্ধতির আলো ব্যবহার করুন।

bottom