Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের জানানো হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আজ বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠকে বিদেশিদের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানানো হয়।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জোটের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে এ বৈঠক হয়। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা যা বলেছেন তার সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের পর্যবেক্ষণের মিল আছে। তাই তাদের কাছে কূটনীতিকদের খুব বেশি প্রশ্ন ছিল না।

কাউকে দেখলেই পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে কামাল হোসেন বলেন, ‘পুলিশ অসাধারণভাবে তৎপর। এত পুলিশ রাস্তায় টহল দিতে আমি দেখিনি। কাউকে দেখলেই তারা ধরে বসে। কারণ ছাড়াই ধরছে। মানুষ পুলিশি সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছে। সরকার ভয়ভীতির সৃষ্টি করছে। তারা চাচ্ছে বিরোধীরা যেন নির্বাচনে না আসতে পারে।’ তবে তাঁর কথা শুনে পুলিশের মহাপরিদর্শককে চিঠি দেওয়ার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) ধন্যবাদ জানান তিনি। ঐক্যফ্রন্টের এই শীর্ষ নেতা বলেন, দেশের মানুষ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। সিইসি কে এম নূরুল হুদার অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সে আশঙ্কার কথা উনাকে নিজেই বলে এসেছি। তাঁর নিষ্ক্রিয়তা আমাদের খুব উদ্বিগ্ন করে।’

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকারের চাপেই হোক বা নির্দেশেই হোক নির্বাচন কমিশন সবকিছু দেখেশুনেও চুপ করে থাকে। বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে কথা বলেছি।’ তবে কূটনীতিকেরা কী বলেছেন, তা তিনি জানাননি। কূটনীতিকদের কাছে কী ধরনের সহযোগিতা চান—এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা যাতে নির্বাচনে অংশ নিই, সে জন্য তারা বহু অনুরোধ করেছে। আমরা তো নির্বাচনে গেলাম। প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। মামলা ও গ্রেপ্তার হবে না। কিন্তু তা বন্ধ হয়নি।’ সরকার তার কোনো কথাই রাখছে না বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা।

bottom