Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

হাইকোর্টে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি না মিললে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা বলেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।


Hostens.com - A home for your website

তিনি বলেছেন, ’আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। কিন্তু তার সত্যিকারের মুক্তি আসবে আন্দোলনের মাধ্যমে। রাজপথেই খালেদা জিয়া মুক্তি নিশ্চিত হতে পারে। এজন্য আমাদের সংগঠিত হতে হবে এবং কর্মসূচি দিতে হবে। আমাদের এমন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।’

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ’বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি’ শীর্ষক এই মানববন্ধনের আয়োজক জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

মওদুদ আহমদ বলেন, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আজ প্রায় এক বছর চার মাস ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় এই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে জামিন চাওয়া হবে। জামিন না দিলে আপিল বিভাগে যাব।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ১৬ কোটি মানুষের চাওয়া উল্লেখ করে সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, ’খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষ উৎকণ্ঠিত। তারা সবাই চায় খালেদা জিয়া যাতে আর কারাগারে না থাকেন। এটি দেশের ১৬ কোটি মানুষের ইচ্ছা। কিন্তু সেটি সম্ভব হচ্ছে না। সম্ভব হচ্ছে না, কারণ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আমরা শত চেষ্টা করেও জামিনের সুরাহা করতে পারছি না।’

নেতা-কর্মীদের সুদিনের আশ্বাস দিয়ে মওদুদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুদিন আসছে। এই সুদিন এখন সময়ের ব্যাপার। এই সুদিন সেই দিন আসবে, যেদিন গণতন্ত্র আসবে খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন। আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরে আসবে। সেই দিনের অপেক্ষায় আপনাদের থাকতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

Report by - //dailysurma.com

Facebook Comments

bottom