Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

ঠাণ্ডা যাতে না লাগে সেটার পাশাপাশি শিশুর ত্বকের যত্নের দিকেও খেয়াল রাখতে হয়। শুধু ক্রিম বা লোশন মেখেই খান্ত থাকলে হবে না পাশাপাশি গরম জামা-কাপড়ের দিকেও খেয়াল দিতে হবে।


তেল মালিশ: গোসলের আগে সাধারণ তেল দিয়ে শিশুর ত্বক মালিশ করলে ত্বকের শুষ্কতা কমবে, বাড়বে ত্বকের নমনীয়তা। যে তেল ব্যবহার করবেন তাতে জলপাই এবং অশ্বগন্ধা মিশ্রিত থাকা ভলো। এতে ত্বকের রং উজ্জ্বল ও মসৃণ হবে।

গোসল: শীতকালে শিশুকে দুদিন পর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করানো ভালো। পানি বেশি গরম হলে ত্বকের উপরের রক্ষাকবচ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দীর্ঘসময় ধরে গোসল করালে ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হবে। তাই শীতকালের গোসল অল্পসময়ে সেরে ফেলাই মঙ্গল।

পরিষ্কারক প্রসাধনী: শিশুর ত্বকের মৃদুমাত্রার পরিষ্কারক প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত। এতে থাকা চাই অ্যালোভেরা, কাজুবাদামের তেল, দুধ ইত্যাদি উপাদানের মিশ্রণ। যা গোসলের ত্বকের ‍শুষ্কতা কমাবে এবং ত্বক মসৃণ রাখবে।

ময়েশ্চারাইজার: গোসলের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার তা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখার স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। প্রাকৃতিক তেল ও যষ্টিমধুর নির্যাস আছে এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারলে ভালো।

ক্রিম: প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করলে শিশুর ত্বক, গাল, হাঁটু, নাকের ডগা এবং কনুই সুরক্ষিত থাকবে।

পোশাক: উলের সোয়েটার বা কম্বল দিয়ে শিশুকে মুড়িয়ে রাখা থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এসবের কাপড়ের শক্ত আঁশ শিশুর ত্বকে আঁচড় ফেলে দিতে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে র‌্যাশ। কোমল মসৃণ মোটা কাপড়ের শীতের পোশাক পরিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আরও কিছু: শিশুর গাল, হাঁটু, নাক এবং কনুইয়ের ত্বক শুষ্কতায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া আশঙ্কা সবচাইতে বেশি। আর শীতকালে এই আশঙ্কা কয়েকগুন বাড়ে।

ত্বকে প্রাকৃতিকভাবেই আর্দ্র থাকে। তাতে অতিরিক্ত রাসায়নিক উপাদানযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহারে সমস্যা বাড়ে। তাই প্রাকৃতিক উপাদান থেকে তৈরি প্রসাধনী ব্যবহারের পরামর্শ দেন ডা. সুভাশিনি।

কাজুবাদাম, অলিভ অয়েল, অ্যালো ভেরা, যষ্টিমধু, মধু ও দুধ হল অতিপিরিচিত কিছু প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক।

শিশুকে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচাতে এই উপাদানগুলো সবচাইতে নিরাপদ।

bottom