Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশের মাটিতে ফেরত পাঠাতে ‘সব ধরনের উদ্যোগ’ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন ব্রুনাইয়ের সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়া। ব্রুনাইয়ের রাজধানী বন্দর সেরি বেগওয়ানে সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে সুলতান বলকিয়ার এই মত প্রকাশ করেন।


Hostens.com - A home for your website

সুলতানের বাসভবন ইস্তানা নুরুল ইমানের চেরাদি লায়লা কেনচানায় শেখ হাসিনার সঙ্গে এই বৈঠক হয় বলে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের জানান। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে (সুলতান) বেশ বড় একটা বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের সবাই মিলে একটা সমাধানে আসা উচিৎ। আমাদের সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিৎ, যাতে তারা ফিরে যেতে পারে।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, গত নির্বাচনে জিতে টানা তৃতীয়বারের মত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান সুলতান। তিনি বলেন, এটা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বীকৃতি হিসেবে জনগণের রায়। দুই দেশের সম্পর্কের সম্প্রসারণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন সুলতান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, সে বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরেন সুলতান বলকিয়া। তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশে যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে সেখানে ব্রুনাইয়ের ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে পারে বলে সুলতানকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে দুই দেশের মধ্যে দ্বৈত কর পরিহারের ওপরও জোর দিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতের কথা উল্লেখ করে বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালসে ব্রুনাইয়ের সঙ্গে বড় ধরনের সহযোগিতা হতে পারে বলে তিনি মত দিয়েছেন।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়টি দুই নেতার কথাতেই এসেছে। প্রবাসী শ্রমিকদের ব্যাপারে একটি ’জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Report by - //dailysurma.com

Facebook Comments

bottom