Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

রাতে পাঁচ মিনিটের পরিচর্যায় সারাদিনে ত্বকের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায়। রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ত্বকের ধরন বুঝে পরিচর্যার বিভিন্ন পন্থা এখানে দেওয়া হল। তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের যত্ন: ত্বকের সঙ্গে মানানসই ফোম বা জেল ভিত্তিক ক্লিঞ্জার ব্যবহার করুন।


প্রথমে গোলাকারভাবে হাত ঘুরিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। দ্বিতীয়বার ‘ক্লিঞ্জিং ব্রাশ’ ব্যবহার করে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপরে, ত্বকে ‘পিউরিফাইয়িং টোনার’ লাগান। এতে ত্বকের জীবাণু বা ময়লা দূর হবে এবং কোষের উৎপাদন স্বাভাবিক হবে।

তৃতীয় ধাপে, ত্বকে রেটিনল সিরাম লাগান। এটা লোমকূপ ছোট করতে সাহায্য করে।

এরপর ত্বকে তেলহীন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর ফলে ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় থাকে।

শুষ্ক ত্বকের যত্ন: ত্বক শুষ্ক হলে এতে দুধ বা ক্রিমধর্মী ক্লিঞ্জার ব্যবহার করুন। কারণ এতে আছে ত্বক আর্দ্র রাখার উপাদান। আর্দ্রতা হারানোর সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ টোনার ব্যবহার করুন।

পরের ধাপে অ্যান্টিএইজিং সিরাম লাগান। এতে ত্বক পুনুরুজ্জীবিত করার ক্ষমতা আছে। আরেকটা কৌশল অনুসরণ করতে পারেন- সিরাম লাগানোর পরে ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বক সুস্থ ও সারা রাত আর্দ্র থাকবে।

মিশ্র ত্বক: মুখের ‘টি-জোন’ অর্থাৎ নাক ও থুতনির অংশ তৈলাক্ত এবং বাকি অংশ শুষ্ক হলে আপনি মিশ্র ত্বকের অধিকারী। এই ধরনের ত্বকে জেল-ধর্মী ক্লিঞ্জার ব্যবহার করুন। এটা ত্বক থেকে অত্যাবশ্যকীয় তেল দূর করবে না। ফলে ত্বকে অস্বস্তি দেখা দেবে না।

মিশ্র ত্বকে টোনার ব্যবহার করা আবশ্যক। টোনার ত্বকের ক্ষয় পূরণে সাহায্য করে এবং প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা শুষে নিতে সাহায্য করে।

মিশ্র ত্বকে লোমকূপ উন্মুক্ত করে, বলিরেখা দূর করে এবং বয়সের ছাপ কমায় এমন সিরাম ব্যবহার করা উচিত।

ত্বকের ধরন বুঝে ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। এর ফলে ত্বকের তৈলাক্তভাব ও শুষ্কতা দূর হবে। এবং চিটচিটেভাব দূর করে ত্বক আর্দ্র রাখবে।

bottom