Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বিরূপ প্রভাব না বলেই আশা করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা আগামী তিন মাসের দিকে তাকাচ্ছি, ডিসেম্বরের শেষের দিকে নির্বাচন। আমরা আশা করছি, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক পরিবেশের ক্ষেত্রে যে ভারসাম্য আমরা তৈরি করার চেষ্টা করেছি, সেটা কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না, নির্বাচনের সময় যাই ঘটুক না কেন।”


Hostens.com - A home for your website

সংবিধান অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি এবারও সেই দাবিতে অনড় রয়েছে।

বিএনপির টানা অবরোধ-হরতালে ব্যাপক সহিংসতার মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েই টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) আয়োজনে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পেশাদার অ্যাকাউন্ট্যান্টদের ভূমিকা শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুহিত বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন অনেক উঁচুতে অবস্থান করছে। গত ১০ বছরে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আমরা এমন একটি উপযুক্ত ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি, যেটা বজায় থাকবে৷ কোনো কিছুতে এটা বাধাগ্রস্ত হবে না।”

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভালো করলেও আঞ্চলিক বাণিজ্যে পিছিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সরকার ভারত ও চীনকে বড় অংশীদার হিসাবে পেয়েছে। সাউথ এশিয়া সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কোঅপারেশনের (সাসেক) আঞ্চলিক পর্যায়ে বাণিজ্যের সুফল পাওয়ার চেষ্টা চলছে।”

দক্ষিণ এশীয় উপ-আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ‍ভারত, ভুটান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা নিয়ে গঠিত এই উপ-আঞ্চলিক জোট সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই দেশগুলোর সমন্বয়ে আমরা যে অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রেখেছি, সেটা পরবর্তী দশকগুলোতে চলতে থাকবে।”

একই অনুষ্ঠানে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পেশাজীবীদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপো।

তিনি বলেন, “এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আইসিএমএবিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পেশাজীবীদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া দরকার।”

অন্যদের মধ্যে আইসিএমএবির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম এবং গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভের (জিআরআই) টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান পিয়েত্রো বার্তাজি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

Report by - https://bangla.bdnews24.com

Facebook Comments

bottom