Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

রাশিয়া বিশ্বকাপে পুরো ফুটবল দুনিয়ার নজর কাড়েন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেওয়া এই ‘টিনেজ’ তারকা এবার ভক্তদের মনে তার জায়গা আরও বড় করে নিলেন। পুরো বিশ্বকাপে পুরস্কার ও পারিশ্রমিক বাবদ যে অর্থ অর্জন করেছেন তার পুরোটাই দাতব্য সংস্থাকে দিয়ে দিচ্ছেন তিনি। এ ঘোষণায় দারুণ প্রশংসিত হচ্ছেন বিশ্বকাপের ‘সেরা উদীয়মান’ তারকা।


সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপে ম্যাচপ্রতি ১৯ হাজার ৯১৫ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ ৮২ হাজার টাকা) আয় করেছেন এমবাপ্পে। আর ফ্রান্সের জয়ে বোনাস হিসেবে আরও ৩ লাখ ১০ হাজার ২০১ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা) আয় করেছেন তিনি। ফলে বিশ্বকাপে খেলা ৭ ম্যাচের ম্যাচ ফি ও বোনাস আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বোনাস মিলিয়ে ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৬ মার্কিন ডলার বা ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫২১ টাকা পেয়েছেন এই টিনেজ বিস্ময়।

আর এ পুরো অর্থই ১৯ বয়সী এমবাপ্পে দিচ্ছেন প্রিমিয়ারস দে করদি নামে ফরাসি দাতব্য সংস্থাটিতে। এই সংস্থা শারীরিকভাবে অক্ষম শিশুদের বিনামূল্যে খেলাধুলার ব্যবস্থা করে থাকে। ২০১৭ সাল থেকেই এই সংস্থায় সহায়তা করে আসছেন এমবাপ্পে। বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত অর্থের সদ্ব্যবহার করার এটাই সবচেয়ে ভাল উপায় বলে মনে করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।

শীর্ষ দাতা এমবাপ্পেকে নিয়ে দাতব্য সংস্থাটির জেনারেল ম্যানেজার সেবাস্টিয়ান রুফিন বলেন, কিলিয়ান, একজন অসাধারণ মানুষ। যখনই সময় পান তখনই আনন্দের সঙ্গে তিনি আমাদের মাঝে হাজির হন। শিশুদের সঙ্গে তার মধুর সম্পর্ক। তিনি সবসময় তাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য সঠিক শব্দ খুঁজে বের করেন।

ফ্রান্স দলে এমবাপ্পের মতো আরও কয়েকজন আছেন, যারা একই পথে হাঁটছেন। কয়েকজন ফরাসি তারকা তাদের আয়ের একটা অংশ রাশিয়ার বোন্দেতে অবস্থিত হোয়ান-র‍্যানিওর কলেজের ২৫ জন শিক্ষার্থীর পড়ালেখার খরচ বহনের জন্য দিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

২০১৭ সালে প্রায় ১৮৭ মিলিয়ন ইউরোতে ফরাসি লিগের ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে যোগ দেওয়া এমবাপ্পে এবারের বিশ্বেকাপে প্রত্যাশার চেয়েও ভাল খেলেছেন। আসরের ৭ ম্যাচে তার করা ৪ গোল ফ্রান্সকে শুধু শিরোপাই এনে দেয়নি, তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার অনন্য কীর্তিতেও নাম লেখাতে সহায়তা করেছে। তার আগে এই কীর্তিতে নাম ছিল কেবল ব্রাজিলিয়ান গ্রেট পেলের। সব ছাপিয়ে মানবহিতৈষী এই পদক্ষেপের কারণে টিনেজ এমবাপ্পে নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্যদের সারিতে।

bottom