Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শিল্পী খালিদ হোসেনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।


Hostens.com - A home for your website

একুশে পদক পাওয়া নজরুল সংগীতের বরেণ্য শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও সংগীতগুরু খালিদ হোসেন বুধবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে মারা যান।

শিল্পী খালিদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই হূদরোগে ভুগছিলেন। ইদানিং তার কিডনির জটিলতা বেড়েছিল। ফুসফুসসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যাও ছিল। চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসেই হাসপাতালে নেওয়া হতো তাকে। তখন দুই-তিন দিন হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি থাকতেন। গত ৪ মে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। খালিদ হোসেনের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছিল।

খালিদ হোসেনের জন্ম ১৯৪০ সালের ৪ ডিসেম্বর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে। দেশ বিভাগের পর বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি চলে আসেন কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়ায়। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে নজরুল সংগীতের শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। খালিদ হোসেনের গাওয়া নজরুল সংগীতের ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া একটি আধুনিক গানের অ্যালবাম ও ইসলামি গানের ১২টি অ্যালবাম রয়েছে। তিনি ২০০০ সালে একুশে পদক পেয়েছেন। এ ছাড়া পেয়েছেন নজরুল একাডেমি পদক, শিল্পকলা একাডেমি পদক, কলকাতা থেকে চুরুলিয়া পদকসহ অসংখ্য সম্মাননা।

শিল্পী খালিদ হোসেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সব মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড এবং বাংলাদেশ টেক্সট বুক বোর্ডে সংগীত নিয়ে প্রশিক্ষক ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুল সংগীতের আদি সুরভিত্তিক নজরুল স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদের সদস্য তিনি।

Report by - //dailysurma.com

Facebook Comments

bottom