Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

বছর শেষেই বোঝা যাবে যাতায়াতের জন্য কবে খুলে দেয়া হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। প্রকল্পের অর্ধেকেরও বেশি কাজ শেষ করতে পেরেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। নদী শাসন ও মূল সেতুর কাজে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পদ্মাসেতুর দুই অংশেরই অ্যাপ্রোচ রোড, সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করা হয়েছে— জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, কাজ শুরু হচ্ছে সংযোগ রেল লাইনেরও। মূল নকশায় কিছুটা পরিবর্তন হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে পদ্মাসেতুর কাজ শেষ করা যাচ্ছে না।


Hostens.com - A home for your website

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর দূরত্ব কমাতে পদ্মা নদীর ওপর সেতু তৈরির স্বপ্ন নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ। দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে যেসব অগ্রাধিকারমূলক ও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজ হাতে নিয়েছিল, তারমধ্যে অন্যতম এবং সবচেয়ে বড় পদ্মাসেতু প্রকল্প।

তবে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে। দুর্নীতির কথিত অভিযোগ নিয়ে দেশ-বিদেশে সমালোচনায় দাতা সংস্থা মুখ ফিরিয়ে নেয়ার পর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেতু নির্মাণে যে যাত্রা শুরু করেছিল, তা এখন দৃশ্যমান।

৬ দশমিক ১৫ দৈর্ঘ্যের পদ্মা বহুমুখি সেতুর নির্মাণ কাজের শুরু ২০১৫ সালে। ৫টি কন্ট্রাক্ট সিভিল ওয়ার্কের মাধ্যমে বাস্তবায়নে এগোচ্ছে প্রকল্প। নদীর দুই তীরে অর্থাৎ সেতুর দুই অংশের অ্যাপ্রোচ রোড, সংযোগ সড়ক, কালভার্ট, পুনর্বাসন প্রকল্পসহ প্রথম তিনটি কন্ট্রাক্টের কাজ গেল সাড়ে তিন বছরে শেষ করা হয়েছে।

এদিকে, একের পর এক পিআর স্থাপন করে তার ওপর বসানো হচ্ছে স্প্যান। যা মূল সেতুর ভিত্তি। এ বছরের ডিসেম্বরে উঠবে পঞ্চম স্প্যান। এভাবে ৪২ পিআরে বসবে ৪১টি স্প্যান। সব মিলিয়ে সেতুর কাজ শেষ হলো ৬২ শতাংশ। দৃশ্যমান হলো ৪৫০ কিলোমিটার সেতু।

পাশাপাশি নদী শাসন শেষ হয়েছে ৩৭ শতাংশ—উল্লেখ করে প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, নদীর তলদেশে মাটি নরম থাকার কারণে সেতুর ২২ খুঁটির নতুন নকশায় একটি করে পাইল বাড়ানো হয়েছে। আর এ কারণেই সেতুর কাজ শেষ করতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।

তবে এ নকশা পরিবর্তনে ব্যয় বাড়বে যে কথা শোনা যাচ্ছে- তা উড়িয়ে দিলেন এ প্রকল্প পরিচালক।

আর পদ্মা বহুমুখী সেতুর সঙ্গে যে সংযোগ রেল লাইন স্থাপনের বিষয় রয়েছে- তাও আগামী মাসেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, এরই মধ্যে এ প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।

তবে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে পরিবেশের বিষয় সতর্ক নজরদারি রেখেছে সরকার। এদিকে, জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়- সেজন্যও আলাদা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Report by - http://www.desh.tv

Facebook Comments

bottom