Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

দেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। যদিও দারিদ্র্যতার হার কমাতে বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু খাদ্য, নিরাপত্তা, জ্বালানির নিশ্চয়তা ও অসমতার কারণে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। একইসঙ্গে পুষ্টিহীনতার হারও কমছে না। শনিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘এসডিজি বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ পর্যালোচনা: খাদ্য, জ্বালানি ও বৈষম্য’ শীর্ষক বার্ষিক লেকচারে এ কথা বলেন জাতিসংঘের সাবেক সহকারী মহাসচিব মালয়েশিয়ান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক জোমো কেওমি সুনদারাম।


শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সিপিডি বার্ষিক গণ বক্তৃতার আয়োজন করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির চেয়ারম্যান প্রফেসর রেহমান সোবহান, নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। সঞ্চালনা করেন সিপিডিরি ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রফেসর জোমো কেওমি সুনদারাম বলেন, বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে আসছে। কিন্তু সে হারে পুষ্টিহীনতা কমছে না। অনেকে বলে এই দুটির সঙ্গে সম্পর্ক কম। বাস্তবে এই দুটির সঙ্গে সম্পর্ক নেই বলে মনে করা হলেও সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশে হয়ত কোন মিথোলজিক্যাল বা পদ্ধতিগত ক্রটি থাকতে পারে। যার জন্য প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেড়েছে। তাই এদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়।

বাস্তবতা হলো পুষ্টিহীনতা খুব বেশি দূর যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দারিদ্র্যতায় উন্নতি করলেও নিউট্রেশনে উন্নয়ন তেমন ঘটাতে পারে না বরং বেড়েছে। বাংলাদেশকে নজর দেয়া দরকার পুষ্টিহীনতা দূর করার বিষয়ে।

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে তিনি বলেন, পরিবেশ বিপর্যয় প্রতিরোধে মধ্যবর্তী পদ্ধতি গ্রহণের সুযোগ নেই। এমনটি এলডিসি থেকে বের হয়ে গেলেও এটা করা যাবে না। এই সুযোগ নেয়ার অবকাশ নেই যা উন্নত দেশগুলো করছে।

তিনি বলেন, পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কয়লা বা তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বড় দেশগুলো করলেও বাংলাদেশ কেন করতে পারবে না এই বিতর্কে জড়ানোর সুযোগ নেই। জাম্প করে সুজা রিনোয়েবল এনার্জির বা নবায়ণযোগ্য জ্বালানির দিকে যেতে হবে।

সোলারভিত্তিক বিদ্যুতের অগ্রগতিতে বাংলাদেশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, গ্রামীণ অঞ্চলে বাংলাদেশ সোলার সিস্টেম চালু করেছে এটা ভালো। তবে বায়ু ভিত্তিক বিদ্যুত উৎপাদনে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে। বিশ্বব্যাপী একটি চ্যালেঞ্জ ছিল সোলারের দাম বৃদ্ধি-সংক্রান্ত, সেটা রিকভারী করা গেছে। ফলে সোলারভিত্তিক বিদ্যুতায়ন কঠিন হবে না।

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশ বা স্বল্প উন্নত দেশগুলো তাদের আয়ের জন্য যেসব পণ্যের উপর নির্ভরশীল, সেসবের দাম বিশ্বব্যাপী ক্রমেই কমে যাচ্ছে। স্বত্ব বা প্যাটার্ন নিজেদের হাতে থাকার কারণে উন্নত দেশগুলোর পণ্যের দাম খুব কমছে না।

এগুলোর বিশ্বব্যাপী অসমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। নদী ভাঙন একটি পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ। এর মাধ্যমেও অসমতা তৈরি হচ্ছে। এখান থেকে উত্তরণে উন্নত দেশগুলোর বিনিয়োগ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে আনা জরুরি।

bottom