Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল সোমবার কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্ট মার্টিন যেতে পারেনি। তাই এক দিন বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে ফের জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। গত রোববার দ্বীপে বেড়াতে যাওয়া তিন হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিনে আটকা পড়েন। তাঁরা এবার ফিরতে শুরু করেছেন।


Hostens.com - A home for your website

কক্সবাজার আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ মো. শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সকালে হঠাৎ করে আগাম ঝড়ের প্রভাবে দমকা হাওয়া ও ঝোড়ো হাওয়ায় নদী-সাগর উত্তাল হয়ে পড়ে। তবে কোনো ধরনের সংকেত ছিল না। এখন পরিস্থিত স্বাভাবিক রয়েছে। এ অবস্থায় নৌযান চলাচলের ওপর কোনো ধরনের বাধা নেই।

বিআইডব্লিউটিএ ও ইজাদারের উশুল আদায়কারী সূত্র জানায়, আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গ্রিনলাইন-১-এ ২৭ জন, কেয়ারি সিন্দাবাদে ৩৯০ জন, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইনে ৩৪৩ জন, বে-ক্রুজে ১৪৩ জন, এলসিটি কাজলে ৯৭৭ জন ও এমভি আটলান্টিক ক্রুজে ৮৪৩ জন পর্যটকের টিকিট নিয়ে জাহাজে তোলা হয়। এ সময় টিকিটবিহীন হাজারখানেক শিশু, দেড় শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দাসহ প্রায় চার হাজার যাত্রী নিজ নিজ জেটি দিয়ে জাহাজে করে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে আজ এমভি ফারহান ক্রুজ জাহাজটি তাদের যাত্রা বাতিল করেছে।

অপরদিকে সেন্ট মার্টিনে আটকা পড়া তিন হাজার পর্যটক ফিরে আসতে শুরু করায় আশপাশের এলাকায় ভিড় আছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুর আহমদ।

কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইনের টেকনাফের ব্যবস্থাপক শাহ আলম ও এমভি কাজলের ব্যবস্থাপক মনির আহমদ বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে এক দিন বন্ধ থাকার পর আজ উপজেলার প্রশাসনের নির্দেশে ছয়টি জাহাজ পর্যটক নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনে গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের পরিদর্শক (পরিবহন) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, এক দিন বন্ধ রাখার পর পুনরায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তবে ধারণক্ষমতার বেশি পর্যটক পরিবহন না করার পাশাপাশি পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি শিকার না হন, সেদিকে খেয়াল রাখতে জাহাজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং জাহাজে পর্যাপ্ত পরিমাণের লাইফ জ্যাকেট রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকায় গতকাল সাতটি জাহাজকে নাফ নদী থেকে ফেরত আনা হয়েছিল। ওই সময় জাহাজগুলোতে নারী, শিশু ও পুরুষ মিলিয়ে ৪ হাজার ৬০০ জন পর্যটক ছিলেন। টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ না যাওয়াই সেন্ট মার্টিনে তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াই নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে দুপুর পৌনে ১২টায় একে একে ছয়টি জাহাজ পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে জেটিঘাট ছেড়ে গেছে। বিকেলে ফেরার পথে সেন্ট মার্টিনে আটকা পড়া পর্যটকদের ফেরত আনা হবে। দেশি-বিদেশি পর্যটকের কথা বিবেচনা করে আজ থেকে এ নৌপথে জাহাজ চলাচলে আর কোনো ধরনের বাধা নেই।

Report by - //dailysurma.com

Facebook Comments

bottom