Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।


সম্মেলনের প্রায় এক বছর পর সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে আসেন পদ না পাওয়া এবং কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে ক্ষুব্ধ প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী। ’যোগ্যদের বঞ্চিত করে বিবাহিত, বিতর্কিত, অছাত্র ও অযোগ্যদের দিয়ে গঠিত কমিটি’ করা হয়েছে বলে দাবি করে কমিটি বাতিল চান তারা।

সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগ মুহূর্তে সেখানে হামলা চালায় আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া পদ পাওয়া শতাধিক নেতা। এ সময় তারা সংবাদ সম্মেলনের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং সংবাদ সম্মেলন করতে আসা নেতাকর্মীদের মারধর করেন।

হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সংস্কৃতি বিষয়ক উপ-সম্পাদক ও ডাকসুর সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির উপ-বিজ্ঞান সম্পাদক তানভীর আহমেদ, রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবনী দিশা, রোকেয়া হলের সভাপতি এবং ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক বিএম লিপি (নতুন কমিটিতে উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক), শামসুন্নাহার হলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসমিন শান্তা, শামসুন্নাহার হলের সভাপতি ও ডাকসু সদস্য নিপু ইসলাম তন্বী (বর্তমান কমিটির উপ-সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক), কুয়েত মৈত্রী হলের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী শায়লা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক আইন সম্পাদক সাইফুর রহমান।

এ সময় চেয়ারের আঘাতে রোকেয়া হল সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী দিশার মাথা ফেটে যায়। পরে আহত অবস্থায় তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নতুন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামস ই নোমান, সহ-সভাপতি সাদিক খানকে হামলার নেতৃত্বে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পদবঞ্চিতদের। তবে আরিফুজ্জামান আল ইমরান বলেন, হামলায় আমি অংশ নিইনি। তবে আমি মধুর ক্যান্টিনে ছিলাম। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে হল কমিটির পদ-প্রত্যাশী অতি উৎসাহী জুনিয়ররা হাতাহাতি করেছে। আমরা যারা সিনিয়র ছিলাম তারা গিয়ে থামিয়েছি।

bottom