Foto

Please Share If You Like This News


Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো চীনের হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু। আজ মঙ্গলবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এই সেতুর উদ্বোধন করেন। প্রথম নির্মাণকাজ শুরু করার নয় বছর পর চালু হলো এই সেতু। ‘হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও ব্রিজ’ সমুদ্রের ওপর বিশ্বের অন্যতম বড় সেতু। ২ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ে তৈরি সেতুতে ৪ লাখ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয় চীনে। নির্মাণকাজ কয়েকবার পিছিয়ে যায়। কিন্তু দেশটি সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে তৈরি করে ফেলেছে সেতুটি।


Hostens.com - A home for your website

কাল বুধবার থেকে সেতুটি যাতায়াতের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এই সেতু দিয়ে ম্যাকাও ও হংকংয়ের যাত্রী ও যানবাহনগুলো সরাসরি বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবে। চীনের নদী পার্ল রিভারের ওপর দিয়ে সেতুটি সমুদ্র পার হয়ে চলে গেছে ওপারে। হংকং থেকে ম্যাকাওয়ে সড়কপথে যাতায়াতে তৈরি এ সেতু ৫৫ (৩৪ মাইল) কিলোমিটার দীর্ঘ। যাত্রাপথে সেতুটি আরও ১১টি বড় শহরকে যুক্ত করেছে। দক্ষিণ চীনের ৫৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এ সেতুর সুবিধা পাবে। এ সেতু চালু হওয়ায় হংকং ও ম্যাকাওয়ের মধ্যে দূরত্ব আড়াই ঘণ্টা কমে এসেছে। আগের তিন ঘণ্টার পথ এখন আধা ঘণ্টায় যাতায়াত করা যাবে।
এই সেতুতে চলতে হলে প্রাইভেট কারকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। সেতুটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ম্যাকাও ও ঝুহাইয়ের মধ্যে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স বা ছাড়পত্র নিতে হবে। পর্যটকদের জন্য দুই ধরনের সরকারি যানবাহন থাকবে। এর মধ্যে একটি নিয়মিত বাস সার্ভিস। অন্যটি শাটল সার্ভিস। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৯ হাজারের বেশি যান এই সেতু দিয়ে চলাচল করবে।

চীনা কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই সেতু অর্থনীতিতে যোগ করবে প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে হংকংয়ের আইনপ্রণেতারা এটা মনে করছেন না। বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, শুল্কের মাধ্যমে এই ব্রিজ থেকে প্রতিবছর আয় হবে ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

Report by - //dailysurma.com

Facebook Comments

bottom