Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের নামে ডাকযোগে পাঠানো পার্সেলে পাওয়া গেছে পাইপ বোমা। এদিকে নিউ ইয়র্কের টাইম ওয়ার্নার সেন্টারে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সিএনএন এর নিউ ইয়র্ক ব্যুরো খালি করে ফেলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দপ্তরের বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ ইয়র্ক সিটিতে হিলারি ও বিল ক্লিনটনের বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো একটি প্যাকেটে মঙ্গলবার রাতে বোমা পাওয়া যায়।


মিড টার্ম নির্বাচন সামনে রেখে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রচার কাজে ব্যস্ত হিলারি রাতে ছিলেন ফ্লোরিডায়। তবে তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়িতেই ছিলেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।

এরপর বুবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে ওবামার বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো আরেকটি পার্সেল পরীক্ষা করেও বোমার সন্ধান পান গোয়েন্দা সদস্যরা।

“দুটি বোমাই শনাক্ত করা হয় নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছানোর আগে। ফলে এ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।”
গত সোমবার বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের বাড়িতেও বোমা পাঠানো হয়েছিল বলে খবর দিয়েছিল পুলিশ।
নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, হেজ ফান্ড ব্যবসায়ী জর্জ সোরোসের নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল প্রায় ছয় ইঞ্চি দীর্ঘ একটি পাইপের ভেতরে বিস্ফোরক পাউডার ভরে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন হোয়াইট হাউজের ঠিকানায় পাঠানো পার্সেলেও বোমা পাওয়ার খবর দিয়েছিল। তবে পরে ওই খবর প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো লিখেছে, কারা এসব বোমা পাঠাচ্ছে, তা এখনও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এর দায়ও কেউ স্বীকার করেনি।

বোমা পাঠানোর নিন্দা জানিয়ে হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এ ধরনের জঘন্য সন্ত্রাসী কাজের পেছনে যারাই থাকুক, তাদের আইনের ‍মুখোমুখি করা হবে।

“যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। এই কাপুরুষদের হুমকি থেকে সবাইকে রক্ষার জন্য সব পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে। মিড টার্ম নির্বাচন সামনে রেখে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রচার কাজে ব্যস্ত হিলারি রাতে ছিলেন ফ্লোরিডায়। তবে তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়িতেই ছিলেন বলে জানিয়েছে সিএনএন। এরপর বুবার সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে ওবামার বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো আরেকটি পার্সেল পরীক্ষা করেও বোমার সন্ধান পান গোয়েন্দা সদস্যরা। “দুটি বোমাই শনাক্ত করা হয় নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছানোর আগে। ফলে এ নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়নি।” গত সোমবার বিলিয়নেয়ার জর্জ সোরোসের বাড়িতেও বোমা পাঠানো হয়েছিল বলে খবর দিয়েছিল পুলিশ। নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, হেজ ফান্ড ব্যবসায়ী জর্জ সোরোসের নিউ ইয়র্ক সিটির বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো বোমাটি তৈরি করা হয়েছিল প্রায় ছয় ইঞ্চি দীর্ঘ একটি পাইপের ভেতরে বিস্ফোরক পাউডার ভরে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন হোয়াইট হাউজের ঠিকানায় পাঠানো পার্সেলেও বোমা পাওয়ার খবর দিয়েছিল। তবে পরে ওই খবর প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো লিখেছে, কারা এসব বোমা পাঠাচ্ছে, তা এখনও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এর দায়ও কেউ স্বীকার করেনি। বোমা পাঠানোর নিন্দা জানিয়ে হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “এ ধরনের জঘন্য সন্ত্রাসী কাজের পেছনে যারাই থাকুক, তাদের আইনের ‍মুখোমুখি করা হবে। “যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। এই কাপুরুষদের হুমকি থেকে সবাইকে রক্ষার জন্য সব পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে।”

bottom