Foto

Please Share If You Like This News

Buffer Digg Facebook Google LinkedIn Pinterest Print Reddit StumbleUpon Tumblr Twitter VK Yummly

রাজধানীর শাহবাগ থানা থেকে অস্ত্র-গুলি চুরি যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তার অবহেলা থাকলে আইন অনুযায়ী তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোস্টগার্ডের ইফতার মাহফিলের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।


রোববার শাহবাগ থানা পুলিশের বিশ্রামকক্ষ থেকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিমাংশু সাহার হেফাজতে থাকা একটি সরকারি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি চুরি হয়। এ ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন এক যুবককে বিশ্রামকক্ষে ঢুকতে ও বের হতে দেখা গেছে। চুরিতে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে সন্দেহ করা হলেও তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বুধবার সমকাল এ-সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। তবে কেউ যদি কর্তব্যে অবহেলা করে থাকেন, তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। তদন্তের পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে আইনজীবীর মৃত্যু প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, রোববার দুপুর ২টা ২৫ মিনিট থেকে পরের দুই ঘণ্টার মধ্যে অস্ত্র-গুলি চুরির ঘটনা ঘটে। পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক যুবক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে পুলিশের বিশ্রামকক্ষের দিকে যাচ্ছে। তার পরনে ছিল গ্যাবার্ডিন প্যান্ট ও সাদা স্ট্রাইপ শার্ট। পিঠে ঝোলানো ছিল ব্যাগ। মুখে লম্বা দাড়ি। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ওই যুবক বেরিয়ে আসে। চুরির দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় ধরা না পড়লেও ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবক এতে জড়িত থাকতে পারে। সেদিন এ ঘটনার কিছু সময় আগে হিমাংশু দায়িত্ব পালন শেষে থানা ভবনের দোতলায় বিশ্রামকক্ষে ফেরেন। তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে কেউ এ ঘটনা ঘটায় কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার সমকালকে জানান, চুরির ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে। এর তদন্ত এগিয়ে চলেছে, তবে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা সন্দেহভাজন যুবককে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ওই যুবক কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনে যুক্ত থাকতে পারে বলেও ধারণা তদন্ত-সংশ্লিষ্টদের। চুরি হওয়া অস্ত্র-গুলি অপরাধমূলক কোনো কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের কারও সম্পৃক্ততা আছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

bottom